--- বিজ্ঞাপন ---

হরিপুরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছেন ৬ গ্রামের মানুষ

0

মো. মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও জেলা হরিপুর-দনগাঁও পাঁকা সড়কে নোনার ব্রীজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গ্রামবাসিদের। বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছেন ৬ গ্রামের মানুষ। যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

 সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০০৪ সালে নির্মান করা হয় ব্রিজটি। উপজেলা সদর থেকে ব্রীজের দূরুত্ব প্রায় দেড় কিলো মিটার। ব্রীজটি দেখভালের অভাবে প্রতি বছর বন্যায় ব্রীজের সংযোগ স্থল ও দুই পাশ্বের মাটি সরে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়। র‌্যালীং নষ্ট হয়ে ব্রীজের সাথে মিশে গেছে। গত ১ বছরে এই ব্রীজে যাত্রীসহ বেশ কয়েকটি যানবাহন দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। তাই ব্রীজটি জুরুরী ভাবে মেরামতের একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

দনগাঁও গ্রামের আজাহার আলী বলেন, এই ব্রীজটির উপর দিয়ে ৬টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের চলাচল। ব্রীজ নির্মাণ হওয়ার পর থেকে গ্রামে গড়ে উঠেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০১৭ সালের বন্যায় ব্রীজটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। উপজেলার সাথে যোগাযোগের আর কোন বিকল্পপথ না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে স্থানীয়দের চলাচল করতে হচ্ছে ।

ওই এলাকার পথচারী রফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন গ্রামের কোন মমুর্ষ রোগীকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হলে ১০-১২ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই ব্রীজটি মেরামত করা না হলে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বিপদে পরবে কৃষক ও সাধারন মানুষ।

উপজেলার ৫নং হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মঙলা বলেন ২০১৭ সালের বন্যায় ব্রীজটির পশ্চিম পারের উপর দিয়ে পানি প্রাবাহিত হওয়ায় উত্তর পাশ্বের মাটি পানিতে ধসে যায়। সংবাদ পেয়ে তৎক্ষনিক বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে মেরামত করা হয়। ব্রীজটি নতুন ভাবে নির্মাণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ জি আরিফ বেগ বলেন ব্রীজটি ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে। নতুন ব্রীজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনার মতামত দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.