--- বিজ্ঞাপন ---

লক্ষ্মীপুরে সাত সকালে সড়কে ঝরে গেলো ৭ প্রাণ

0

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: কুয়াশা মোড়ানো শীতের সকাল। ঢাকা-রায়পুর আঞ্চলিক সড়ক। একটি ট্রাক অপরটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। দুইটি মুখোমুখি সংঘর্ষ। এতটুকুই। এরপর শোরগোল। বাঁচার প্রাণপণ চেষ্টা। ততক্ষণে পিচঢালা কালচে সড়ক লাল হতে শুরু করছে। ছোপ ছোপ রক্ত মাড়িয়ে সড়ক দানবের পেট থেকে বের করা হলো একের পর এক মৃতপ্রায় দেহ। তখনও প্রাণ আছে ওদের। চোখে স্বপ্ন আছে বুকে আশা। কিন্তু না ঘাতক যন্ত্র-দানব যে আঘাত করেছে তা সহ্য হওয়ার নয়। ধমনি চিরে বেরিয়ে গেলো প্রাণপাখি। এরপর সব শেষ। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে গেলো তরতরে ৭ তাজা প্রাণ।

সড়ক দুর্ঘটনার পর যেমন বলা বক্তব্য পাওয়া যায় স্থানীয় প্র্রশাসনে, এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ওসি মো. শাহজাহান। আর স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৬ সদস্য রয়েছেন। বাকি একজন অটোরিকশার চালক।

নিহতরা হলেন- অটোরিকশার যাত্রী একই পরিবারের শাহ আলম, নাছিমা আক্তার, রোকেয়া বেগম, শামছুন নাহার, রুবেল, আমিত ও আটোরিকশাচালক নুরু। তারা নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদিশপুর এলাকার বাসিন্দা।

নিহতের স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীপুরের সাদারঘর এলাকায় সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগকর্মী নাদিম মাহমুদ অন্তরকে কুপিয়ে আহত করে। তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত নাদিমকে দেখতে বেগমগঞ্জ থেকে তার পরিবারের লোকজন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে ওই অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

আপনার মতামত দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.