--- বিজ্ঞাপন ---

ঠাকুরগাঁওয়ের নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়ছেন এমপির ভাই-ভাতিজা

0

মো. মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেরা পরিষদের নির্বাচনে নৌকা প্রার্থীর বিপক্ষে বিদ্রোহী (স্বানন্ত্র) হয়ে লড়ছেন এমপি দবিরুল ইসলামরে ভাই-ভাতিজা। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্র্মীরা ত্রি-ভাগে বিভক্ত হয়েছে। দলীয় প্রার্থী নৌকার পক্ষে নির্বাচন না করে বেশীর ভাগ আওয়মীলীগ নেতা কর্মীরা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেছেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমএলএ মরহুম এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের পুত্র ও পাড়িয়া বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আহসান হাবীব বুলবুল (নৌকা মার্কা) চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ছেন ঠাকুরগাঁও ২ আসনের এমপি ও ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ দবিরুল ইসলামের ছোট ভাই বর্তমান বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ মোঃ সফিকুল ইসলাম (আনারস মার্কা) ও তার ভাতিজা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলীর পুত্র বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আলী আসলাম জুয়েল মোটরসাইকেল মার্কা)। ২ মার্চ শনিবার উপজেলা নির্বাচন সামনে রেখে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগ সমির উদ্দীন কলেজের হল রুমে বর্ধিতসভা আয়োজন করা হয়। সভায় বেশীর ভাগ ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন না। সভায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে আহসান হাবীব বুলবুল বলেন, আমার পিতা মরহুম এডভোকেট দবিরুল ইসলামের পুত্র ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। বর্ধিতসভায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কমিটির, ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত না হয়, সে জন্য বাধা দেওয়া হয়েছে। বাধা দিয়েছেন বর্তমান এমপি দবিরুল ইসলামের পুত্র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়ার সহ সভাপতি আলহাজ মোঃ সফিকুল ইসলাম। ধনতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সহিদুর রহমান সভায় অভিযোগ করেন, বর্ধিত সভায় আসতে মোবাইলে নিষেধ করা হয়েছে। আমজানখোর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান চন্দ্রমোহন পাল বলেন, যারা নৌকা মার্কা নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, তারা সভায় আসেননি তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক। পাড়িয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ফজলে রব্বি রুবেল বলেন, দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তার পক্ষে নির্বাচন করতে হবে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হাসনাত বলেন, ১৮ মার্চ উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে বিজয় নিরলস ভাবে কাজ করতে হবে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কুমার রায় বলেন, আমি নৌকার নির্বাচন করব। নৌকাকে বিজয়ী করতে সাধারন সম্পাদক হিসেবে আমার অর্পিত দায়িত্ব পালন করবো নৌকায় ছিলাম এবং আছি। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, হয় আমার ছেলে আলী আসলাম জুয়েল না হলে দলীয় প্রার্থী আহসান হাবীব বুলবুল কে জিতবে তবুও সফিকুলকে বিজয়ী হতে দেওয়া যাবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, উপজেলা নির্বাচনে ৩ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। সবাই জোরে সোরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৮ মার্চ ভোট গ্রহন, কে জিতবে নৌকা, না চাচা-ভাতিজা। সবারই প্রশ্ন নির্বাচন হবে ত্রিমুখি লড়াই। আওয়ামী লীগ ভোট তিন ভাগে ভাগ হবে। বিএনপি জামায়াত, জাতীয় পার্টির ভোট যে টানতে পারবে তারই বিজয়ে মালা হব
ে এই মন্তব্য করেন সাধারণ ভোটাররা।

আপনার মতামত দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.