--- বিজ্ঞাপন ---

ফের  করোনায়  আক্রান্ত  ১১১ জন “অনুসন্ধানে কোরিয়া”

0
কোরিয়া করোনা  ভাইরাস সফলভাবে মোকাবিলার পরেও, কয়েকদিন ধরে করোনায়  পুনরায় আক্রান্ত হচ্ছেন সুস্থ হওয়ায় রোগী।পুনরায় সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি কোরিয়াকে ভাবিয়ে তুলেছে,পাশাপাশি  গভীর অনুসন্ধান করছে  দক্ষিণ কোরিয়া করোনা ভাইরাস পুনরায় সংক্রমণ (রবিবার দুপুর পর্যন্ত) এর ১১১ জনের  নিশ্চিত করেছে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেগু এবং উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের ,  কোরিয়ায় যে দুটি স্থানকে করোনা ভাইরাসের  প্রাদুর্ভাবের  কেন্দ্রস্থল বলা হয়।
রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের (কেসিডিসি) কোরিয়া কেন্দ্রের পরিচালক জং ইউন-কিয়ং রবিবার  বিষয়টি নিশ্চিত  করেন।কেসিডিসি  জানায়, ১১১ জন  পুনরায় কেন করোনায় আক্রান্ত হলো  সম্ভাব্য কারণগুলি অনুসন্ধান করছে। কেসিডিসি  প্রধান আরো জানায়, কোরিয়া তার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি  করে অন্যান্য  আক্রান্ত দেশসমূহ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা র সাথে একযোগে কাজ করছে। কোরিয়া সেন্টারস অফ ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (কেসিডিসি) এর পরিচালক জিয়ং ইউন-কায়ং একটি ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন যে রোগীদের পুনরায় সংক্রামিত হওয়ার চেয়ে ভাইরাসটি “পুনরায় সক্রিয়” হয়ে থাকতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা  বলছেন, যে এই প্রবণতার পেছনে কী রয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়, মহামারী সংক্রান্ত তদন্ত এখনও চলছে। লোকেরা ভাইরাসে পুনরায় সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ অনেক দেশ আশা করছে যে সংক্রামিত জনগোষ্ঠী মহামারী পুনরায় হওয়া  রোধ করতে পর্যাপ্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলবে।
উল্লেখ্য সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার এই সংখ্যা ৫১  থেকে বেড়েছে। প্রায় ৭০০০ দক্ষিণ কোরিয়ান নাগরিক হিসাবে কোভিড -১৯ থেকে সুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।  গত শুক্রবার যা পুনরায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল  ৯১ জন।  আজ রবিবার পর্যন্ত পুনরায় আবার ১১১ জন শনাক্ত হওয়ায় নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই সংখ্যাটি কেবল বাড়বে। এখন  ১১১ জন  মাত্র। শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৭জন নতুন আক্রান্ত হয়েছেন,  তবে এপিসেন্টার  খ্যাত দেগুতে পাওয়া যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষভাগে দৈনিক ক্ষেত্রে ৯০০ এরও বেশি শীর্ষে উঠার পরে এটি সর্বনিম্ন। গতকাল শনিবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩০ জন।আজ রবিবার পর্যন্ত ১০৫১২ জন আক্রান্ত, সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৭০০০জন। মৃতের সংখ্যা  ২১৪ জনে   ঠেকেছে। চীনের বাইরে প্রথম করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব ব্যাপক প্রভাব ফেলে দেগু শহরে ফেব্রুয়ারির শেষের পরে  এই প্রথমবারের মতো শূন্যর কোঠায় দেগু।
দক্ষিণ কোরিয়ার মোট সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি দেগুতে। দেগুর মোট সংখ্যা ৬৪০৭ জন।
দেগুতে একটি শিনপিওঞ্জি  গির্জায়  সংক্রমণের কারণে   দক্ষিণ কোরিয়ায় ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরুর এই ভাইরাসের রোগী বেড়ে যায়।
 এই প্রাদুর্ভাবটি চীনের বাইরে যে দেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে,দেশটি  কোরিয়া। কোরিয়ার ব্যাপক পরীক্ষা ও সামাজিক দূরত্ব বজায়,  জনগণের সহযোগিতা লাগাম টানতে সক্ষম হয়েছে।উল্লেখ্য, কোরিয়ার ৩১ নম্বর রোগীর সংস্পর্শে এসে  গিম্পুর একটি পরিবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন, যেখানে ১৭ মাসের বাচ্চা রয়েছে, পুরো পরিবার আবার করোনা  য় আক্রান্ত হন  ।সেনাবাহিনীর দুইজন সৈনিকের মাঝেও পুনরায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়।

আপনার মতামত দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.