--- বিজ্ঞাপন ---

আবারও কর্মী নেবে মালয়েশিয়া

0
তাজউদ্দিন জেমি, মালয়েশিয়া থেকে##
করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতির ‘উন্নতি হলে’ আবার বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া শুরুর আশ্বাস মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে পাওয়া গেছে বলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই আশ্বাস দেন বলে মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। তবে এই উন্নতির মানদণ্ড কী, তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি বিজ্ঞপ্তিতে; ফলে কবে নাগাদ আবার শ্রমিকরা যেতে পারবেন, তাও স্পষ্ট নয়।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় ৬ লাখের মতো বাংলাদেশি থাকেন। তাদের কাছ থেকে গত অর্থ বছরে ১২৩ কোটি ১৩ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে।এই বছরের শুরুতে করোনাভাইরাস মহামারী শুরু হলে প্রবাসে থাকা অনেক শ্রমিকের মতো মালয়েশিয়া থেকেও ফিরে আসেন অনেক বাংলাদেশি। এখনও তাদের ফেরার কোনো সুরাহা হয়নি।
মালয়েশিয়া তার দেশের নাগরিক ছাড়া অন্য কাউকে বাংলাদেশ থেকে নিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দুই মন্ত্রীর বৈঠকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত করা, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অনলাইন সিস্টেম চালু করা, কর্মী পাঠানোয় রিক্রুটিং এজেন্টের সম্পৃক্ততা, পরবর্তী জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ সভা আয়োজন এবং কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় প্রত্যাগমনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার শীঘ্রই উম্মুক্তকরণের বিষয়ে মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী তার সম্মতি জানিয়ে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। ” দুই মন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সুষ্ঠু শ্রম অভিবাসনের স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্টের তালিকা মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে এবং ওই দেশের সরকার ওই তালিকা থেকে রিক্রুটিং এজেন্ট নির্বাচন করবে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো নিয়ে উভয় দেশের ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ শিগগিরই সভায় বসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের বিষয়েও সে দেশের মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, বিএমইটি’র মহাপরিচালক মো. শামসুল আলম, অতিরিক্ত সচিব বশির আহমেদ এবং কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম অংশ নেন। মালয়েশিয়ার পক্ষে ছিলেন সে দেশের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জামিল বিন রাকন উপসচিব এ মানিয়াম, সহকারী সচিব নুর মাজনি বিনতি আবদুল মাজিদ প্রমুখ।##১৮.১০.২০

আপনার মতামত দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.